এমরান মাহমুদ প্রত্যয়
ছোট্ট এ জীবনে মানুষ অনেক স্বপ্ন দেখে এবং স্বপ্নগুলো কখনো কখনো মুখ থুবড়ে পড়ে। তবুও স্বপ্ন বিলাসী মানুষ নতুন করে স্বপ্ন দেখে আর প্রত্যাশায় বুক বঁাধে যেন আবার জেগে উঠে তাকে দেখতে না হয়।
সব স্বপ্ন সব মিথ্যা। যদি আবারও স্বপ্ন ভঙ্গের বেদনা নিয়ে জেগে উঠতে হয়, তাহলে এখানেই হবে ধ্বংসের সূচনা। সব কিছু তার হাতে যে স্বপ্ন দেখায়, বঁাচতে শেখায়। ভাল স্বপ্ন সবাই দেখতে চায়।
কেউ তো ভাবে না স্বপ্ন ভাঙলে কি হবে? এমনই একটি সুন্দর স্বপ্ন দেখেছিল মন। তখন কি ভেবেছে স্বপ্নটা ভেঙ্গে যাবে। হৃদয়ে জমবে পাহাড় সম ব্যাথা। প্রত্যেক নারী তো চায় সুন্দর ভাবে বঁাচতে। ভাগ্য মানুষকে ঠিক স্বপ্ন ভঙ্গের…..?
মন ছোট বেলা থেকে একটু আলাদা, চলনে বলনে। আর রূপের দিকটা না বললেই নয়- এক কথায় সুন্দরী। টানাটানা চোখ, শিশিরে স্মাত গোলাপ রাঙ্গা ঠেঁাট, উন্নত বুক, সুমসৃণ চিবুক আর বাহু যুগল সত্যই সব মিলে রূপসি।
এমন চেহারা প্রেম ও বিয়ের প্রস্তাবের অভাব ছিল না। মন এমন ভাবনা কখনো ভাবেনি, প্রেম ভালবাসায় কোন খেয়াল ছিল না তার। সে ভাবত বড় হয়ে দেশের জন্য ভাল কিছু করার।
বিধির বিধান, সবই নিয়তি। ভাল প্রস্তাব হাত ছাড়া করে না মনের মা-বাবা।
এস.এস.সি পরীক্ষার পরই বিয়ে। মন ভাবে হয়তো এরই নাম জীবন। স্বপ্ন, স্বপ্নই রয়ে যায়। ভাগ্যকে সাথী করে মেনে নেয় সংসার নামের জীবনের চাবি। সুখ আর সুখ, সুখের রাজ্যে মনই এক স্বর্গ কন্যা।
নতুন জীবন সব কিছু নতুন। সুখ আর আনন্দের মাঝে কাটতে থাকে তাদের ভালোবাসার দিনগুলি। সংসারে আসে নতুন অতিথি।
এরই মাঝে স্বামীর প্রকৃত রূপ বের হয়ে আসে। ভাবতে পারে না মন, জীবনটা এমন হবে। নেশা করে ফিরে প্রতিনিয়ত, তুচ্ছ কথা নিয়ে অমানসিক নির্যাতন করে মনের উপর। এমনভাবে কিছু সময় পার হয়।
ভাবে হয়তো ঠিক হয়ে যাবে সব। কিন্তু না, দিশেহারা মন, কারণে অকারণে নির্যাতন। মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন স্বামীকে ছেড়ে আসতে বললেও মন আসে না। শত নির্যাতন সহ্য করে স্বামীর সংসার করে।
যখন দেখলো তার মাসুম সন্তানকে নেশার টাকার জন্য হত্যা করতে চায় তখন সেখানে থাকার মানসিকতা হারিয়ে সন্তানকে বুকে নিয়ে চলে আসে। কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে সান্তনা দেবার ভাষা খুঁজে পায় না মা-বাবা।

কিছু সময় অপেক্ষার পর স্বামীকে ডিভোর্স করে দেয়। এতে আরো ক্ষিপ্ত হয়ে স্বামী নামের নরপিশাচ। প্রতিশোধ নিতে মরিয়া হয়ে উঠে। মনের সুখে এসিড মেরে ঝলসে দেয় সেই পাশন্ডটা।হাসপাতালের বেডে কর“ন আত্মচিৎকার।
দুঃখ, জ্বালা, ব্যাথা, বেদনা নিয়ে বেঁচে থাকা এই কি জীবন। খবর সংবাদে মুখরিত, দ্র“ত ট্রাইব্যুনালে এ স্বামীর বিচার হয় যাবত জীবন জেল। এ রায় মেনে নিতে পারে না মন। যদি শুনতো ফঁাসি হয়েছে তবে একটু সুখ হয়তো পেত।
মন জীবন থেকে পালাতে চেয়েছে বহুবার। সন্তানের কথা ভেবে পারে নি। আত্ম প্রত্যয়ে বলিয়ান মন পুনরায় স্বপ্ন দেখেছে মনের ফঁাকা ক্যানভাসে। সংগ্রামী নারী রূপে এই পুর“ষ শাসিত সমাজে। মৃত্যু কাম্য নয় জীবনই সকল সুখের চাবিকাঠি।

গল্প সম্পর্কে
স্বপ্ন আমাদের অবচেতন মনের খেলা—কখনো সুখের, কখনো ভয়ের, আবার কখনো অদ্ভুত ও রহস্যময়।
কিছু স্বপ্ন আমাদের জীবনের গভীর ইচ্ছা, ভয় বা অভিজ্ঞতা প্রকাশ করে, আবার কিছু স্বপ্নের কোনো স্পষ্ট অর্থ নাও থাকতে পারে।
অনেক সময় স্বপ্নে আমরা এমন জায়গা বা মানুষ দেখি যাদের আগে কখনো দেখিনি, কিন্তু আসলে এগুলো আমাদের মস্তিষ্কে জমে থাকা
স্মৃতির খণ্ডাংশ।কিছু মানুষ লুসিড ড্রিমিং করতে পারে, অর্থাৎ তারা বুঝতে পারে যে তারা স্বপ্ন দেখছে এবং স্বপ্নকে নিয়ন্ত্রণও করতে পারে!
আমাদের সম্পর্কে
স্বাগতম “শিরোনাম সাহিত্য”-এ — আমার হৃদয়ের ক্যানভাসে।
এই ব্লগটি আমার স্বপ্ন, ভাবনা আর সৃজনশীলতার একটি আড্ডাখানা।
এখানে বাংলা সাহিত্যের রঙে মুখর হয়ে ওঠে কবিতা, গল্প আর জীবনের ছোট ছোট মুহূর্ত।
আমি একজন গল্পকার, কবি এবং বাংলা ভাষার একনিষ্ঠ প্রেমিক।
“শিরোনাম সাহিত্য” আমার সেই প্রয়াস, যেখানে শব্দ দিয়ে গড়ে তুলি আবেগ, চিন্তা আর কল্পনার জগৎ।
এখানে পাবেন হৃদয় ছোঁয়া কবিতা, জীবনের গল্প, আর সাধারণ মুহূর্তের অসাধারণ রূপ।
আমার লক্ষ্য:
বাংলা ভাষার প্রেমীদের জন্য একটি আশ্রয় তৈরি করা।
যেখানে শব্দের জাদুতে আমরা সবাই হারিয়ে যেতে পারি।