সিরাজুল ইসলাম মুন্টু
আমি শিক্ষক মহৎ মানুষ
মানুষ গড়ার কারিগর,
জ্ঞানের আলো বিলিয়ে যাই
এই জগতে জীবন ভর।
পরিচয় তেমন নেই আমার
চাকরী বেসরকারী,
দেশের কর্মকর্তার কাছে আমি
নই কোন দরকারী।
হাজার টাকা বাড়ি ভাড়া
বাড়ি কভু কি গো জুটে,
চিকিৎসা বাবদ ৫০০ টাকা
দেয় আমাদের মোটে।
একি বই একি সিলেবাস
ওদের সব কিছু বেশী,
সাতানব্বই ভাগ বেসকারীরা
কেউ নাই তো খুশি।
নায্য কথা বললে পুলিশ মারে
চালায় পানির কামান,
কাকে বলি শিক্ষক অপমানিত
পুলিশদের এসে থামান।
আগের সরকার মুখের সামনে
ঝুলিয়ে ছিলো মুলো,
এই সরকার এসে সেই
আগের কাজ হলো।

বিশ % বাড়ি বাড়া আর
১৫০০ টাকায় সব শেষ,
শিক্ষকদের ভুখা নাঙ্গা রেখে
ভালো করবে দেশ।
শিক্ষক হলো জাতীর বিবেক
বলি মোরা হামেশা,
৫০০ টাকা বাড়ি ভাড়া বাড়িয়ে
সরকার করে তামাশা।
যারা গড়বে ভবিষ্যৎ নাগরিক
গড়বে সুন্দর জাতী,
তাদের যখন পুলিশ মারে
বাড়ে দেশের খ্যাতি।
নায্য পাওনা দেয়না যারা
শিক্ষকদের ভোকাই,
ওরা কভু ভাবেনা হায়
নিজেকে কত ঠকায়।
পাঁচ বছরের পে স্কেল দেয়নি
সেই আগের সরকার,
ওরা ভেবেছিল কেবল ভোটেই
শিক্ষকদের দরকার।
সবার বেলা সকল জুটে
শিক্ষকের বেলায় অন্ধ,
আলোর প্রদীপ জ্বালিয়ে দিয়ে
ওরা সাজে মন্দ।
শিক্ষক অপমানের দায়ে
শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ,
ভাবার কিছু নাই তো আর
যদি কেউ বলে মন্দ।
২০% বাড়ি ভাড়া আর
১৫০০ চিকিৎসা ভাতা চাই,
শিক্ষকের দাবি পূরন না হলে
আর ছাড়া ছাড়ি নাই।
যারা দেশের আলো জ্বালে
তারা থাকে অন্ধ কারে,
শিক্ষকেরা কিছু চাইলে
সরকার কেবল মারে।
কবিতা সম্পর্কে
শিক্ষকের দাবি বলতে বোঝায় —
শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার, সুযোগ-সুবিধা, ও পেশাগত মর্যাদার জন্য তাদের যে দাবিগুলো থাকে। সাধারণত এই দাবিগুলো শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নয়ন, শিক্ষক সমাজের সম্মান রক্ষা, এবং শিক্ষার মানোন্নয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত।
নিচে কিছু সাধারণ শিক্ষকের দাবির বিষয় দেওয়া হলো 👇
🧾 বেতন ও ভাতার বৃদ্ধি:
জীবনযাত্রার মান অনুযায়ী বেতন কাঠামো বাড়ানো, সময়মতো বেতন প্রদান, ও উৎসব ভাতা বাড়ানো।
🎓 সরকারি মর্যাদা ও পদোন্নতি:
বেসরকারি শিক্ষকদের সরকারিকরণ, পদোন্নতির সুযোগ, ও চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
🏫 শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ, প্রশিক্ষণ ও পাঠদান উপকরণ সরবরাহ।
📚 শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা রক্ষা:
শিক্ষক পেশাকে সম্মানজনক করা ও শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল পরিবেশ তৈরি করা।
⚖️ অবসর ও পেনশন সুবিধা:
অবসরোত্তর সময়ে আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
🕊️ শিক্ষার স্বাধীনতা ও নীতিনির্ধারণে অংশগ্রহণ:
শিক্ষকদের মতামত ও অভিজ্ঞতাকে শিক্ষা নীতিতে গুরুত্ব দেওয়া।
আমাদের সম্পর্কে
স্বাগতম “শিরোনাম সাহিত্য”-এ — আমার হৃদয়ের ক্যানভাসে।
এই ব্লগটি আমার স্বপ্ন, ভাবনা আর সৃজনশীলতার একটি আড্ডাখানা।
এখানে বাংলা সাহিত্যের রঙে মুখর হয়ে ওঠে কবিতা, গল্প আর জীবনের ছোট ছোট মুহূর্ত।
আমি একজন গল্পকার, কবি এবং বাংলা ভাষার একনিষ্ঠ প্রেমিক।
“শিরোনাম সাহিত্য” আমার সেই প্রয়াস, যেখানে শব্দ দিয়ে গড়ে তুলি আবেগ, চিন্তা আর কল্পনার জগৎ।
এখানে পাবেন হৃদয় ছোঁয়া কবিতা, জীবনের গল্প, আর সাধারণ মুহূর্তের অসাধারণ রূপ।
আমার লক্ষ্য:
বাংলা ভাষার প্রেমীদের জন্য একটি আশ্রয় তৈরি করা।
যেখানে শব্দের জাদুতে আমরা সবাই হারিয়ে যেতে পারি।